"ইসলামের সবচেয়ে রহস্যময় ব্যক্তি"
আপনি কি জানেন তিনি কে?
— যাঁকে নিয়ে আপনি কখনো ভাবেননি;
— যাকে নিয়ে কোন ইমাম কথা বলে না;
আমাদের উদ্দেশ্য




বাইবেল বিকৃতির দাবির পক্ষে রহস্যময় ইতিহাস
সারা বিশ্বের মুসলিম বিশ্বাসীদের রহস্যময় হজ্বের নিয়মের ইতিহাস
আপনি যদি একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম হন, তাহলে আপনাকে ছোটবেলা থেকে একটি কথা শেখানো হয়েছে: "বাইবেল বিকৃত হয়ে গেছে।" আপনার মসজিদের ইমাম সাহেব বলেছেন। আপনার মাদ্রাসার উস্তাদ বলেছেন। ইউটিউবে ইসলামী বক্তারা বলেছেন। এমনকি আপনার পরিবারের বড়রাও বলেছেন।
কিন্তু আপনি কি কখনো নিজে যাচাই করে দেখেছেন এই দাবিটি সত্য কি না?
প্রিয় বন্ধ /বান্ধবী, ইতিহাস খুঁড়ে সত্য বের করতে কি প্রস্তুত তো! মেনে নিতে পারবেন যখন প্রমাণ সহ সকল তথ্য আপনার চোখের সামনে ভাসবে? যদি রহস্যময় এই সত্যটি জানতে চান, তবে বিস্তারিত জানতে নিচের বাটনে ক্লিক করে এঁটেসেঁটে বসে পড়ুন।
আমরা কোরআন, সহী-হাদিস গ্রন্থ, ইতিহাস, বিজ্ঞান, বাইবেল ও বর্তমান বিষয়গুলোর বাস্তবিক প্রমানগুলোকে সামনে রেখে যেটি সত্য, খাঁটি/ বিশুদ্ধ তা বের করি; যেন আপনি যেটি বিশ্বাস করেন সেটি কেমন বিশ্বাস, তা যাচাই করতে পারেন। আশা করছি আমাদের সাথে থাকা আপনাকে বিশ্বাসে সমৃদ্ধ করবে।
হজরত মুহম্মদ (সাঃ) নিজেকে ইব্রাহিমের বংশধর দাবি করাটা কতটুকু যৌক্তিক? এর পক্ষে কি কোন যৌক্তিক প্রমাণ আছে?


রহস্যময়
বংশধর?
বিশেষ করে আমাদের বাংলাদেশের প্রতিটি ইমামদের দেয়া খুতবায়, মসজিতে, মাহফিলে বা ইসলামিক আলোচনায় হজরত মুহাম্মদ (সাঃ)-কে ইব্রাহিমের বংশধর, অর্থাৎ, ইব্রাহিম (আঃ)-এর সন্তান ইসমাইল (আঃ)-এর পরের বংশধর বলে সবসময় পরিচয় করে দেয়া হয়। এই ধারনাটি প্রতিটি মুসলিম ভাইবোনদের বিশ্বাসে প্রসিদ্ধ। আর তাই, ইসলামী ঐতিহ্য অনুযায়ী, নবী মুহাম্মদ (সাঃ) (মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আবদুল মুত্তালিব) কুরাইশ গোত্রের ছিলেন, যাদের বংশধারা ইসমাইল (ইব্রাহিমের পুত্র) পর্যন্ত পৌঁছায় বলে দাবি করা হয়। কিন্তু সত্যিই কি এই দাবিটি যৌক্তিক, নাকি রহস্যময়?